বিশ্বব্যংক এবং পিকেএসএফ প্রতিনিধি পক্ষথেকে মতিন সৈকতকে অভিনন্দন

শাহরিয়ার হোসাইনশাহরিয়ার হোসাইন
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ১০:২২ PM, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
বিশ্বব্যংক এবং পিকেএসএফ প্রতিনিধি পক্ষথেকে মতিন সৈকতকে অভিনন্দন

কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার আদমপুর সেন্টার ফর কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট এসিস্ট্যান্স সিসিডিএ’র এসইপি প্রকল্পের কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শনে আসেন বিশ্বব্যংক এবং পিকেএসএফ প্রতিনিধি দল। তারা এসময়ে এলাকার আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে গণশেয়ারের ভিত্তিতে সমাজ ভিত্তিক প্লাবন ভূমিতে একই জমিতে শুকনো মৌসুমে বোরোধান বর্ষা মৌসুমে মৎস্য চাষে বৈপ্লবিক সফলতা কেন্দ্রীক নির্মিত ডকুমেন্টারি দেখেন। সিসিডিএ’র গলদা চিংড়ি হ্যাচারি, প্লাবন ভূমি কেন্দ্রীক দেশের প্রথম অপূর্ব ট্যুরিজম এবং আপুবি মৎস্য চাষ প্রকল্প পরিদর্শন করেন। সাসটেইনেবল এন্টারপ্রাইজ প্রজেক্ট এসইপি’র প্লাবনভূমিতে মৎস্য চাষের পরিবেশগত উন্নয়নের বিশ্লেষণ করেন। স্হানীয় জনগোষ্ঠীর সাথে বিশ্বব্যংক উন্মুক্ত আলোচনায় বসে তাদের সমস্যা, সম্ভাবনা প্রয়োজনীয়তার গুরুত্বপূর্ণ দিক নিয়ে কথা শুনেন।

আদমপুর এসইপি ক্লাবের সভাপতি এবং জাতীয় পরিবেশ পদক ও দুইবার বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পদক প্রাপ্ত মতিন সৈকতের বক্তব্য শুনতে চান বিশ্বব্যংক। মতিন সৈকত বলেন ‘ত্রিশ বছর আগে থেকে পরিবেশ, প্রকৃতি, জীব-বৈচিত্র্য, খাল-নদী-জলাভূমি সংরক্ষণ, পাখি ও বন্য প্রাণী রক্ষায় কাজ করছি। এখন সহযাত্রী, সহযোগী হিসেবে বিভিন্ন ব্যাক্তি, সংগঠন, সংস্থা এবং সরকারি কর্মকর্তারা এগিয়ে এসেছেন। পরিবেশ রক্ষায় স্হানীয় জনগণের স্বতঃস্ফূর্ততা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন। বিশ্বব্যংক এবং পিকেএসএফ প্রতিনিধি দল মতিন সৈকতের কার্যক্রম এবং এগিয়ে যাওয়াকে অভিনন্দন জানান। এসময়ে উপস্থিত ছিলেন সিসিডিএ’র প্রতিষ্ঠাতা নির্বাহী পরিচালক বীর মুক্তিযোদ্ধা এম, এ সামাদ। এসইপি প্রজেক্টের ম্যানাজার মোঃ মাসুদ আলম, ডকুমেন্টেসন অফিসার মোঃ নুরুন্নবী রাসেল সহ স্হানীয় জনগণ।

আপনার মতামত লিখুন :